মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সাংগ্রাই ( বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা)

কাপ্তাই উপজেলায় কর্মরত বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার ( এনজিও) দের তথ্য

কাপ্তাই উপজেলা, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা

 

 

ক্রমিক নং

বিবরন

 

বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের (এনজিও) নাম

সাংগ্রাই ( বেসরকারী  স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা)

বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের ধরন

স্থানীয়

রেজিষ্ট্রেশন ( নিবন্ধন ) নং

রাংগা- ২৩১/২০০৪

প্রতিষ্ঠানের প্রধান ( হেড) অফিসের ঠিকানা

নারানগিরি মুখ, রাইখালী বাজার,চন্দ্রঘোনা থানা,কাপ্তাই উপজেলা, রাঙ্গামাটি।

জেলাস্থ অফিসের ঠিকানা

প্রযোজ্য নহে

কাপ্তাই উপজেলাস্থ ঠিকানা

নারানগিরি মুখ, রাইখালী বাজার,চন্দ্রঘোনা থানা,কাপ্তাই উপজেলা, রাঙ্গামাটি।

প্রতিষ্ঠানের প্রধানের নাম(চেয়ারপারশন/ইডি/পিডি/সিও

ইখ্যাইপ্রম্ন, চেয়ারপারশন/ রম্নবী চৌধুরী, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা

যোগাযোগের জন্য ফোন নং

-

যোগাযোগের জন্য মোবাইল ফোন নং

০১৭১৯২২৯২৪২

১০

প্রতিষ্ঠানের ই-মেল ঠিকানা

email: sangrai.chandraghona@gmail.com

১১

প্রতিষ্ঠানের কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংখ্যা

ঈুরম্নষ

 

মহিলা

মোট

 

৬ জন

৪ জন

১০ জন

১২

কাপ্তাই উপজেলায় কর্মরত(দায়িত্বপ্রাপ্ত) কর্মকর্তার নাম

মি: পাইসুইমং মারমা

১৩

কাপ্তাই উপজেলায় কর্মরত(দায়িত্বপ্রাপ্ত) কর্মকর্তার ফোন নং

০১৮১৩৩৪৮১৪৩

১৪

কাপ্তাই উপজেলায় কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংখ্যা

৯ জন

১৫

কাপ্তাই উপজেলায় কর্মরত মহিলা কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংখ্যা

৪ জন

১৬

প্রতিষ্ঠানের সেবা / কাজের ধরন

সচেতনতা/উদ্বুদ্ধকরন

সরাসরি সেবা প্রদান

উপকরন/লজিস্টিক

 

                                                         শিক্ষা

সচেতনতা/উদ্বুদ্ধকরন

শিক্ষক বেতন, হোষ্টেল সংস্কার , তৈজষপত্র ক্রয় ও কেয়ার টেকার এর বেতন ও ছাত্রদের ফুড সাবসিডি, স্কুল সংস্কার,আয়র্বদ্ধিমূলক কার্যক্রম,

শিক্ষা  উপকরন ও খেলার সরজ্ঞাম

 

                                                         স্বাস্থ্য

-

 

 

 

                                       ঋন( Micro Credite)

-

 

 

 

                                                        বনায়ন

-

 

 

 

                                                         অন্যান্য

 

 

 

১৭

কাপ্তাই উপজেলায় কোন কোন ইউনিয়নে কার্যক্রম রয়েছে

রাইখালী ইউনিয়ন ও ওয়াগা ইউনিয়ন

১৮

উপকার/সুবিধাভোগীর সংখ্যা(২০১১ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী

৯৪৯১ জন

১৯

প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের বিশেষত্ব (  Specialty )                              

সংসত্মার কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের অনুদানে প্রতিবৎসর স্থানীয় দুঃস্থ ও গরীব লোকদের কম্বল বিতরন করা হয়, নববর্ষ উপলক্ষ্যে এলাকাবাসীর বিনোদনের জন্য পানি উৎসবের আয়োজন, প্রকল্প বর্হিভহত স্কুলসমূহে বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠানের জন্য আর্থিক সহযোগীতা প্রদান।

       

 

 

*  কর্মকান্ডের সচিত্র তথ্য :  সংযুক্ত  ‘‘ ক ‘‘

 

*  কর্মকান্ডের বিসত্মারিত বিবরন :  সংযুক্ত ‘‘ খ ‘‘

কার্যক্রমের বিবরন

বিষয়

শিক্ষা উপকরন ও খেলার সরজ্ঞাম বিতরন

ঝরে পড়া রোধ কল্পে ও শিশুদেও শারীরিক মানসিক বিকাশ, প্রতিযোগীতার মনোভাব তৈরী করার জন্য প্রতি বৎসর শিক্ষা উপকরন(খাতা,পেন্সিল,কলম,স্কেল,ইরেজার,গেস্নাব, ফুটবল,স্কিপিং )

বিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষনীয় মিনা কার্টুন  প্রদর্শন।

 

মিনা কার্টুন প্রদর্শনীর মাধ্যমে মেয়ে শিশুর শিক্ষা, ছেলেমেয়ের সমান অধিকার, বাল্য বিবাহ রোধ করা,স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা ব্যবহার,বিশুদ্ধ পানি পান করা ইত্যাদি বিষয়ে সচেতন করা ও ছেলেমেয়েদের মতামত গ্রহণ করে আলোচনায় অংশ গ্রহনে উৎসাহ প্রদান।

সরকারী কর্মকর্তা দ্বারা স্কুল পরিদর্শন করানো ও মতামত গ্রহণ

স্কুলের সার্বিক অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করত: সরাসরি মতামত প্রদান ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা ।

ইউনিয়ন পরিষদের স্থায়ী কমিটির সাথে সংস্থার কর্মীদের বৈঠক ও যৌথ ভাবে স্কুল পরিদর্শন

স্কুলের বিভিন্ন অসুবিধা আলোচনা ও পরিদর্শনের মাধ্যমে সুরাহা করা ।

 

এস,এম,সি’র সাথে বৈঠক

 বিদ্যালয়েশিক্ষকদেরউপস্থিতিনিশ্চিতকরা,বিদ্যালয়ের বিদ্যমান অসুবিধাগুলি চিহৃিত করে   তা সমাধানের চেষ্টা করা ।

 মা  দলের সাথে বৈঠক

 বাড়িতে ছেলেমেয়েদের নিয়মিত লেখাপড়া তদারক করা ও নিশ্চিতকরন, স্বাস্থ্যসেবা তদারকীকরন, পুষ্টি সম্পর্কিত আলোচনা।

যুব দলের  সাথে বৈঠক 

বিদ্যালয়ে  শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিতকরন, বাড়ীতে ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া তদারকী করা । এসএমসি, মা দলের সাথে যোগাযোগ করা ।

ফিল্ম শো প্রদর্শন

 

 মিনা কার্টুন প্রদর্শন করে ছেলেমেয়েদের স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা ব্যবহার, পায়খানার পর সাবান বা ছাই ব্যবহার করা , যৌতুক নেয়া ও দেয়া সমান অপরাধ, বাল্য বিবাহ রোধ, ছেলে ও মেয়ে শিশুদের মধ্যে সম অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি, ছেলেমেয়েদের স্কুলে লেখাপড়ার আগ্রহ সৃষ্টি করা

 

পথ নাটক প্রদর্শন

পথ নাটক প্রদর্শন করে স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা ব্যবহার, পুষ্টি,মেয়ে শিশুর শিক্ষার হার বৃদ্ধি,শিক্ষার অধিকার সম্পর্কে

 

ক্লিনিং ডে

পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার জন্য সচেতনতা সৃষ্টি, স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে স্কুল পরিস্কার করা , বাড়ীঘর পরিস্কার রাখা ইত্যাদি শিখিয়ে দেয়া, স্কুলে টয়লেট সামগ্রী  যথা হারপিক, টয়লেট ব্রাশ, ঝাড়ু, ঝাড়ন, বালতি,মগ,সাবান  ইত্যাদি দেয়া হয়েছে।

গোল টেবিল বৈঠক

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, প্রধান শিক্ষক,স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান,সদস্য ও প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি/সাধারন সম্পাদক সমন্বয়ে আলোচনার মাধ্যমে শিক্ষার মান নিশ্চিতকরনের পন্থা খুঁজে বের করা।

 

 

বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা

ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে ভর্তির হার বৃদ্ধি,ঝরে পড়া রোধ, খেলাধূলার মাধ্যমে সুস্বাস্থ্য রক্ষা ও প্রতিযোগীতার মনোভাব তৈরীর জন্য সংস্থা কতৃক মনোনীত প্রতিটি স্কুলের জন্য ক্রীড়া প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়েছে। আলাদা না করে ক্লাষ্টার ভিত্তিতে দুই অথবা তিনটি স্কুল একসাথে ক্রীড়া প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়েছে।

 

শিক্ষামূলক পরিদর্শন

সামাজিক পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে সমস্যা চিহ্নিতকরন ও দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে মনোনীত স্কুলের পরিচালনা কমিটি, মা ও যুব কমিটির সদস্যদের অন্য এলাকার স্কুল পরিদর্শন করানো।

লক্ষিত জনগোষ্ঠির সহযোগীতায় শিক্ষা সামাজিক আবাসন বিষয়ক কর্মশালা ও ছাত্রাবাস চালু

 প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্তকারী ছাত্রদের জন্য বৌদ্ধ বিহারে ছাত্রাবাস কার্যক্রম চালু করা।এই কার্যক্রমের দ্বারা শিক্ষার সাথে এলাকাবাসীর সক্রিয় অংশগ্রহন  করার চেষ্টা।

মা দলের সদস্যদের প্রশিক্ষন 

শিশু শিক্ষা উন্নয়ন ও স্কুল ব্যবস্থাপনায় জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক বিষয়ে  প্রশিক্ষন ।

যুব দলের সদস্যদের প্রশিক্ষন

শিশু শিক্ষা উন্নয়ন ও স্কুল ব্যবস্থাপনায় জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক বিষয়ে  প্রশিক্ষন।

শিশু অধিকার

সংশি­ষ্ট এলাকাবাসীর কাছে শিশু অধিকার সম্পর্কে জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করার জন্য প্রশিক্ষন।

শিক্ষা ও শাসন ব্যবস্থা

শিক্ষার শাসন ব্যবস্থাপনা বিষয়ে  মা, যুবক ও এসএমসি কমিটির সদস্যদের প্রশিক্ষন

 

 

 

* কেস স্টোরী ( কেস স্টাডি ) :  সংযুক্ত ‘‘ গ ‘‘

 

* প্রতিষ্ঠানের প্রধানের নাম( ইডি) ও ছবি : সংযুক্ত ’’ঘ’

 

* কাপ্তাই উপজেলায় কর্মরত( দায়িত্বপ্রাপ্ত) কর্মকতার ছবি : ’’ঙ’’

 

 

 

 

 

 

 

সংযুক্ত ’’ক’’

 

শিক্ষা উপকরন বিতরনঃ

 

মিনা র্কাটুন প্রদশনীঃ

 

 

 

 

 

ইউনিয়ন পরিষদের স্থায়ী শিক্ষা কমিটির স্কুল পরির্দশন

 

এস,এম,সি’র সাথে বৈঠক

 

 

পথ নাটক প্রদর্শন

 

ক্লিনিং ডে

 

 

গোল টেবিল বৈঠক

 

বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা

শিক্ষামূলক পরিদর্শন

 

 

লক্ষিত জনগোষ্ঠির সহযোগীতায় শিক্ষা সামাজিক আবাসন বিষয়ক কর্মশালা ও ছাত্রাবাস চালু

 

 

মা ও যুব দলের সদস্যদের প্রশিক্ষন

কম্বল বিতরনঃ

 

 

 

আয় বৃদ্ধি মূলক কার্যক্রমঃ

 

 

কেস স্টাডি

মহামায়া মৈত্রী কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর বিবরন

 

রাজস্থলী উপজেলার উত্তর-পশ্চিম পার্শ্বে প্রায় সাত কিলোমিটার দূরে সুন্দর ও সবুজে ঘেরা একটি এলাকা তংবশে পাড়া।এই তংবশে পাড়ায় মহামায়া মৈত্রী কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় রাজস্থলী থানার আওতাধীন ২নং গাইন্ধ্যা ইউনিয়নে অবস্থিত। মোট ৪৭ টি পরিবারের এবং ২২৮ জন সংখ্যা নিয়ে এই পাড়াটি গঠিত। শত দারিদ্র্যতার মাঝেও এই পাড়ার ছেলেমেয়েরা লেখাপাড়া চালিয়ে যাচ্ছে। অধিকাংশ পরিবার গরীব,বেকার,নিরক্ষর এবং জুম চাষে নির্ভরশীল।প্রায় ১৯৯৭(আনুমানিক) সালের দিকে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং ২০০৭ সালে সাংগ্রাই সংস্থা এই বিদ্যালয়টিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। রাস্তাঘাট এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা মোটামোটি ভাল,তবে আর্থ সামাজিক অবস্থা তেমন সুবিধাজনক নই। ফলে দারিদ্র্যতার কবলে পড়ে ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার ব্যাপারে অভিভাবকদের সচেতনতার অভাব লক্ষ্য করা যায়।

            সাংগ্রাই সহযোগীতার পূর্বে এই বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা পাশ করে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হতে পারত না। কিন্তু সাংগ্রাই-এর সুষ্ঠু এবং সঠিক পরিচালনার ফলে ধীরে ধীরে এই বিদ্যালয় হতে ছাত্র-ছাত্রীরা পাস করতে শুরু করেছে। শুধু তাই নই,চলতি বছরে/২০১১ সালের ৫ম শ্রেণীর ১০জন চাত্রীর মধ্যে সমাপনী পরীক্ষায় ১০জনই পাস করেছে অর্থাৎ এই বিদ্যালয়টি ১০০% পাস করে সবাইকে অবাক করে দেই। এই সফল্য প্রতিবেশী বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কখনোই আশা করেনি। কিন্তু এক সময় এই বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা স্কুলে আসতে অনাগ্রহী ছিল। সাংগ্রাই এর পরিশ্রমে আজ শিক্ষক শিক্ষিকা এবং এলাকাবাসীরা পড়ালেখা বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন হয়েছে।এস এম সি কমিটির সদস্যরা নিজেদের পদবী জানত না, এমনকি নিজের নাম এস এম সি তালিকায় আছে কিনা তাও জানত না। শিক্ষক নিজের ইচ্ছে মত বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনা করত।

সাংগ্রাই প্রথমে এলাকার পরিবার সংখ্যা, জনসংখ্যা ও শিশু জরিপ করে। পরে এলাকার জনগনকে একত্রিত করে  বিদ্যালয় উন্নতি ও শিশু শিক্ষার উপর একটি প্রাথমিক সভা করে। সাংগ্রাই সহযোগিতাই এই বিদ্যালয় ক্যাচম্যান এলাকায় সাংগ্রাই - ইরিকা প্রকল্প  সম্প©র্ক জনগনের মাঝে প্রাথমিক ধারণা দেওয়ার জন্য একটি ওরিয়েন্টেশন ওর্য়াকশপ করে এবং এলাকার জনগনকে স্বতঃর্স্ফুত অংশ গ্রহনের জন্য উদ্বুদ্ধ করে । এলাকার শিক্ষার সা©র্বক পরিবেশ আনয়নের লক্ষ্যে এগার জন সদস্য বিশিষ্ট একটি মা দল ও একটি যুব দল গঠন করে। প্রতি মাসে ফিল্ড মোবিলাইজার এর সহায়তায়  মা ও যুব দলদের মাসিক সভা হয় এবং বিদ্যালয়ে শিশু উপস্থিতি , ভর্তির হার বৃদ্ধি ও শিশুদের ঝরে পড়ার হার  রোধ কল্পে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সর্ম্পকে আলোচনা হয় । সাংগ্রাই- ইরিকা প্রকল্প কর্তৃক শিশু শিক্ষার শাসন ব্যবস্থার উপর একটি প্রশিক্ষন কর্মশালা আয়োজন করা হয়ে গেছে। শিশু অধিকারও শাসন ব্যবস্থার উপর,  মা, যুব, এসএমসি এবং অভিাভাবকদের দাযিত্ব ও কর্তব্য সর্ম্পকে প্রশিক্ষনের মাধ্যমে  ও স্কুল উপকরন হিসাবে খাতা, পেন্সিল, কলম ও খেলাধুলার জন্য ফুটবল, স্কিপিং ও অন্যান্য জিনিসপত্র সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে । ফলে এলাকার জনগনের মধ্যে সচেতনতা ও বাকশক্তির/ভয়েস রেইসের সার্বিক প্রতিফলন  লক্ষ্য করা যায় । এখন বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা দেরীতে আসলে বা অনুপস্থিত থাকলে জনগন সংশি­ষ্ট শিক্ষককে যথাযথ ব্যাখ্যা প্রদানে বাধ্য করে।

এ ব্যাপারে এসএমসি সভাপতি মক্চোমা মারমা বলেন ’’শিক্ষককের অনুপস্থিতি দেখলে আমরা খোঁজ খবর নিই। যার কারনে শিক্ষকও আগের মত স্কুলে না এসে থাকতে পারেনা।’’

সহকারী শিক্ষিকা মাচিং মারমা বলেন - বিদ্যালয়ের অগ্রগতি দেখে এবং সাংগ্রাই এর উদ্বুদ্ধতার ফলে আমাদের চোখ খোলে গেছে। সাংগ্রাই এর পরিচালনা মত আমরা সার্বক্ষনিক চেষ্টা করি ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়ার মান উন্নত করা। ২০০৯ ইং সালে  বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রী  মোট ৩১ জন ছিল এবং ছাত্রছাত্রীর উপস্থিতির হার  মাত্র ৪৮% ছিল।

কিন্তু বর্তমানে মোট ছাত্র-ছাত্রী ৫২ জন এবং ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতির হার ৯৯%। এসএমসির সদস্য মংগ্যই মারমা বলেন -" সাংগ্রাই এর সহযোগীতায় আমাদের বিদ্যালয় অনেক উন্নতি হয়েছে, বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীর উপস্থিতির হার বেড়েছে।

সাংগ্রাই কর্তৃক ইরিকা প্রকল্প শিক্ষা কার্যক্রম মহামায়া মৈত্রী কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকা শিশু শিক্ষার ক্ষেত্রে পরিবর্তনের কথা এলাকাবাসী স্বীকার করেছে। এ ধরনের শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে রাজস্থলী উপজেলার অন্যান্য দূর্গম এলাকায় সাংগ্রাই এগিয়ে আসবে বলে এলাকাবাসী  তথা গাইন্ধ্যা,ঘিলাছড়ি এবং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের সচেতন মহল দৃঢ়ভাবে আশা রাখছে।

তাছাড়া এই এলাকার উন্নয়নকল্পে সাংগ্রাই সংস্থা এলাকাবাসীকে শাক-সবজির বীজ,মহিলা ছাত্রাবাসে শীতের কম্বল এবং সর্বোপরি তাদের সাহায্যার্থ ৭০,০০০ টাকার আই জি এ প্রদান করা হয়েছে। এই টাকা দিয়ে তারা আদা, হলুদ ও নার্সারী চাষ করে। কিন্তু আদা এবং হলুদের দাম কমে যাওয়ায় এবং আগামী বছরের বীজ হিসেবে সেগুলো না তুলে সংরক্ষন করা হয় যাতে তারা ভবিষ্যতে ভালো দামে এবং আরো অধিক লাভ করতে সক্ষম হয় এবং সেগুন ও গামারী চারা গুলি আগামী বছরে বিক্রি যাবে বলে জানান। গত আদিবাসী দিবস উপলক্ষে এম,জে,এফ আয়োজিত চিত্রাংকন প্রতিযোগীতায় এই বিদ্যালয় থেকে এক জন ছাত্রী ঢাকায় শিশু একাডেমিতে চিত্রাংকন প্রতিযোগীতায় প্রতিযোগী করার সুযোগ পেয়েছে। ২০১২ সালে সাংগ্রাই এর সহযোগীতায় এই বিদ্যালয়কে মেরামত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সাংগ্রাই সংস্থা এলাকারবাসীর সাথে একমত হয় এবং তাদের কার্য্যে অনুমোদন প্রদান করে।

P7130002

 

P7130003

P6290027

 

P6290047